দীর্ঘদিন দলের কঠিন সময় পাশে থেকে লড়াই করা নেতাদের অনেকেই আজও রয়েছেন মূল্যায়নের বাইরে—এমন অভিযোগ উঠছে সিলেট বিএনপির অন্দরে। বিশেষ করে পথ বঞ্চিত তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিলেট জেলার সাবেক ছাত্রনেতা ও ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বর্তমানে জেলা বিএনপির উপদেষ্টা কামরুল হাসান চৌধুরী শাহীন-এর নাম।
দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এই নেতা সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিংয়ে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি দলের নানা নির্যাতন সহ্য করেও তিনি দল ছাড়েননি; বরং বিএনপির ‘ঢাল’ হয়ে কাজ করেছেন দীর্ঘ সময়।
দলের সুদিন ফিরলে তাকে বড় কোনো দায়িত্বে দেখা যাবে—এমন প্রত্যাশা ছিল তৃণমূলের নেতাকর্মীদের। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। জেলা প্রশাসকের মনোনয়ন চাওয়ার পরও তা পাননি তিনি। একইসঙ্গে সিলেট জেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদেও জায়গা হয়নি তার।
এতে করে নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে বলে জানা গেছে। আসন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন ঘিরেও তাকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান দলের একটি বড় অংশ।
দলীয় ত্যাগ ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন না হলে তৃণমূলের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।


